Feeds:
পোস্ট
মন্তব্য

ডেটা বা তথ্য অপসারণ বা ডিলেটের ব্যাপারটি সম্পূর্নই নিয়ন্ত্রন নির্ভর। আর এটা কোন সমস্যাই না যতক্ষন পর্যন্ত সেই ডেটা আমার কাছে থাকছে।আমার নিজ ইচ্ছায় মুছে দিতে পারি আবার চাইলে রিকভার বা পুনঃউদ্ধার করতে পারি। আর যদি চাই যে অন্য কাউকে এই ডেটা মুছে ফেলার পর আর পুনঃউদ্ধার করতে দিব না তাহলে এর জন্য বাজারে অনেক রকমের সফটওয়্যার যা দিয়ে চিরতরে ডেটা মুছে ফেলা যায়। এইভাবে মুছে ফেলা ডেটা আর পুনঃউদ্ধার করা যায় না।

এখন ইন্টারনেটের উন্নতি আর প্রসারের সাথে সাথে আমরা ক্লাউড কম্পিউটিং এর জগতে প্রবেশ করেছি অর্থাৎ আমরা প্রায় সব কাজই করি নেটে, বেশির ভাগ ডেটাই নেটে সেভ করে রাখি। এমন কিছু প্ল্যাটফরম হল বহুল পরিচিত জিমেইল এবং ফেসবুক সেই সাথে আছে ক্লোজড প্রোপ্রাইটারি প্লাটফরম এ্যামাজন কিন্ডল এবং আইফোন। এই সমস্ত প্ল্যাটফরমে ডেটা মুছার ব্যাপারটা হচ্ছে তুলনা মূলক ভাবে সবচেয়ে কঠিন, সময় সাপেক্ষ ও কোন কোন ক্ষেত্রে অসম্ভব।

আমরা সবসময় এমন ধরনের নিয়ম কানুন আশা করে থাকতে পারি যেখানে আমি আপনি চাহিবা মাত্র এই সেবা প্রদানকারী কোম্পানী গুলো আমাদের ডেটা গুলো মুছে দিবে, কিন্তু আসলে আমাদের ডেটা গুলো একেবারে মুছে দিতে বিন্দুমাত্র আগ্রহী নয়। এই ধরনের সাইটগুলো বরং ডেটা একেবারে মুছে দেওয়ার চেয়ে সেই ভাবেই রেখে দেয় আর এ্যাকসেস বন্ধ করে দেয়। আর এই কাজের জন্য ফেসবুক হল কুখ্যাত। কিছুদিন আগে এক বেশ জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের সার্ভার হতে ডেটা একেবারে মুছা যেত। তবে স্টোরেজ বুমের কারনে এখন প্রায় সব কোম্পানী মূল সার্ভারের পাশে অন্য একটি সার্ভারে ডেটা ব্যাকআপ রাখে। কাজেই মূল সার্ভার থেকে যদি ডেটা মুছা হয় তাও খুব একটা লাভ হবে না। গুগলের সেবা ব্যবহার সংক্রান্ত শর্তাবলীতে এই কথা স্পষ্ট করে বলা আছে।

ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেমে যে কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষনের কাজ করে তা ব্যবহারকারী অর্থাৎ আমার বা আপনার নিয়ন্ত্রনের বাইরে। সেই সিস্টেমে ডেটা পাঠানোর পর কি হয় তা ব্যবহারকারীর সম্পূর্ণ অজানা। কাজেই অনলাইন ব্যাকআপ, এস.এম.এস বার্তা, ফটো শেয়ারিং সাইটে ডেটা মুছে ফেলার পর আসলেই কি ঘটে তা আমাদের ধারনার বাইরে।

এ্যামাজন, কিন্ডলে কেনা তাদের ই-বুক গুলো কিভাবে মুছতে সক্ষম হয়েছিলো তা ডেটা সংরক্ষন ও নিয়ন্ত্রন গবেষনায় অভিজ্ঞরা ব্যাখ্যা করে দেখিয়েছেন। বিষয়টি আইনগত ভাবে অনেক বিতর্কের অবকাশ রাখে, কিন্তু এ্যামাজন ডেটা গুলো মুছতে সমর্থ কারণ তারাই সমস্ত কিন্ডল নিয়ন্ত্রন করে। তারা কিন্ডলকে এমন ভাবে ডিজাইন করেছে যেন সেটাকে তাদের ইচ্ছামত সফটওয়্যার আপডেট করতে পারে, ব্যবহারকারী কখন বই কিনবে তাও নির্ধারন করে এমনকি কখন কোন কিন্ডল একেবারে বন্ধ করে দিতে হবে সেটাও।

ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনে Roxana Geambasu ও তার সহকর্মীরা Vanish নামের এইরকম একটি প্রকল্প নিয়ে গবেষনা করছেন। তারা একটি প্রোটোটাইপ ডেভেলপ করেছেন যেখানে ডেটা একটি নির্ধারিত সময় পর নিজে থেকে নষ্ট হয়ে যায়, তখন একে আর কোন ভাবেই পুনঃউদ্ধার করা যায় না। এই সিস্টেমটি কার্যকর থাকা অবস্থায় আমরা মেইল পাঠাতে পারি, গুগল ডকসে লিখে সেখানে সেভ করতে পারি, ফ্লিকারে ফটো আপলোড করতে পারি পর্যায়ক্রমিক সময় নির্ধারণ করে দিয়ে। পরে সেই সময় শেষ হয়ে গেলে সেই ডেটা গুলো আপনা আপনি নষ্ট হয়ে যাবে। এখন কথা হল এর মধ্যে ডেটা গুলো কেউ কপি করে অন্য কোথাও নিয়ে গেল, তখন কি হবে? আসলে কিছুই হবে না, ডেটা গুলো এমন ভাবে এনক্রিপ্ট করা হয় যাতে হোস্ট সার্ভার যতই কপি করুক, হ্যাকার কপি করুক, কেউ কোন ডেটা ভবিষৎ রেফারেন্সের জন্য রেখে দিলেও লাভ হবে না। পূর্বে সেট করা সেই সময় অনুযায়ী ডেটা গুলো নষ্ট হয়ে যাবে। এই ডেটা আর কেউ পড়তে পারবে না এমন কি যে লিখেছে সে ও না।

Vanish এর গঠন কাঠামো বেশ জটিল। এটি ডেটার ডিক্রিপশন কি কে অনেক গুলো ভাগে ভাগ করে জোড়া থেকে জোড়ায় বা peer-to-peer নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ওয়েবে ছড়িয়ে দেয়। যখন প্রদত্ত সময় শেষ হয় তখন এই ভাঙ্গা অংশ গুলো নিজ থেকে অবিরত খুলে এবং জোড়া লাগে যতক্ষন না ডেটা গুলো নষ্ট না হয়। এটি বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী সংস্থা বা প্রোগ্রাম বা কোন ওয়েবসাইটের মত না যেখানে কোন রকমের অনুমতি নেওয়া লাগবে বা কোন শর্তাবলী মেনে চলতে হবে। এখানে ব্যাপারটি শুধু মাত্র ঘটে এবং ঘটবেই, আর অন্য কিছুই নয়।

তবে Vanish অবশ্যই তার সেবা ব্যবহারকারীকে ডেটা অন্য কোথাও কপি করতে বাধা দেয়না যেমন কিন্ডল তার ব্যবহারকারীকে এর মাধ্যমে কেনা বই অন্য জায়গায় কপি করতে দেয়। Vanish এখন পর্যন্ত একটি নমুনা মাত্র। এটি কাজ করবে শুধুমাত্র যাদের সিস্টেমে ইন্সটল করা আছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো মানের প্রদর্শনী যেখানে ডেটা সংরক্ষন ও মোচনে বিভিন্ন শ্রেণীর নিয়ন্ত্রন কিভাবে কাজ করে। তবে এর সঠিক, বড় পরিসরে এবং আইন সম্মত ভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে আরও অনেক নিরাপত্তামূলক পরীক্ষা ও মূল্যায়নের দরকার আছে।

আমরা নিজেদের কিছু কম্পিউটারে ডেটার নিয়ন্ত্রন হারিয়েছি সাথে হারিয়েছি ক্লাউড কম্পিউটিং এ আমাদের ডেটার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন। কিন্তু তাই বলে আমরা ফেসবুক, ফ্লিকার, টুইটার ব্যবহার করা বন্ধ করবোনা এই ভেবে যে আমরা যখন চাইবো তখন কতৃপক্ষ আমাদের ডেটা মুছে দিবে আর কিন্ডল, আইফোন ব্যবহার করবোনা এর জন্যে যে তারা আমাদের ডেটা মুছে দিবে যখন সেটা আমরা চাইবো না। আমাদের কে অবশ্যই নিজেদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডেটার পূর্ণ নিয়ন্ত্রন নিতে হবে, আর Vanish এর মত কাজ গুলো আমাদের কে সেই পথ দেখায়।

এখন আমাদের এমন জিনিষ দরকার যাতে করে আমরা যখন প্রয়োজন বোধ করব তখন যেন বড় বড় কর্পোরেশন গুলো আমাদের ডেটা মুছে দিতে না পারে।

রেফারেন্স:

http://en.wikipedia.org/wiki/Cloud_computing

http://en.wikipedia.org/wiki/Amazon_Kindle

http://en.wikipedia.org/wiki/IPhone

http://www.wikihow.com/Permanently-Delete-a-Facebook-Account

http://vanish.cs.washington.edu/index.html

Advertisements

বারিষধারার মাঝে

এই বিক্ষত হৃদয়ের ক্ষরণ

এ আমি তোমাকে কখনও দেখতে দিব না

আমার অহংকার কি, তা আমি জানি

আবার আমি তার সাথে সকল কষ্ট ও লুকাতে জানি

 

যদি আমি মেঘলা আকাশের জন্য অপেক্ষা করি

তুমি কখনও আমার চোখের জলধারার কথা জানবে না

তুমি কখনও জানবে না

আমি যে তোমাকে এখনও ভালোবাসি

 

স্বর্গ থেকে পড়া এই বৃষ্টির ফোঁটা

কখনও আমার দুঃখ মুছে দিতে পারবেনা

এখন আমরা আর একসাথে নেই

তাই আমি অপেক্ষা করব

কালবৈশাখীতে এই অশ্রুধারা লুকানোর জন্য

হয়ত তুমি তা কখনও দেখতে পারবেনা

 

যখন আমার কান্না শেষ হয়ে যাবে

তখন আমি সূর্যের সাথে হেটে যাব

আর সাথে এক চিলতে হাসির চাদর জড়িয়ে নিব

আমি নিষ্প্রাণ হয়ে যেতে পারি

কিন্তু সে সময় পর্যন্ত

হে প্রিয়তম তুমি

আমার কোন অনুযোগের ছোয়া পাবে না ।।

স্প্রিংভ্যাল রোড আর মারুন্ডাহ হাইওয়ে ইন্টারসেকশন। মেলবোর্ণের ব্যস্ততম ইন্টারসেকশনের মধ্যে যদি বলা হয় পিক আওয়ারে প্রতি ঘন্টায় এক লাখের মত যানবাহন চলাচল করে তাহলে এর নাম আসবে সবার আগে। যাই হোক, মারুন্ডাহ হাইওয়ের ইতিহাস লিখতে বসি নাই। ঘুরোমনা স্বভাব হওয়ার কারনে প্রায় ঐদিক দিয়ে আসা যাওয়া হয়। সবসময়ই লাল বাতিতে আটকা পড়ি। আজ সকালেও সেই ঘুরতে বের হওয়া আর লাল বাতিতে আটকা পড়া। কেউ প্রসাধনের শেষ প্রলাপ টুকু মেখে নিচ্ছে। কেউবা সকালের প্রাতঃরাশের শেষ অংশটুকু মুখে ভড়ছে। আমি বাতির দিকে তাকাই, কখন হলুদের আভা দেখা দিবে, কারন তারপরে যে সবুজ রংর হাতছানি। লাল রং বাতি যে যতিচিহ্ণ একে দিয়েছে সে আমাকে ভাবায় জীবনের সব থেমে যাওয়া ঘটনার কথা।

মনে করিয়ে দেয়, সাদা পোষাকে ভোরে উঠে বিদ্যালয়ে যাত্রা। একদিন স্কুলে পৌছে দেখলাম নীরব আমাদের সদা কোলাহল স্কুল। আমার বন্ধুরা নেই ক্লাসের সামনে। ঘন্টা বাজছেনা, আমাদের শিক্ষকেরা হাসি মুখে ঢুকছেন না। সুন্দর নরম রোদের সকালে সকলে কেমন কঠিন মনোভাব। জানা গেলো সেই শক্‌ড খবর। আমাদের আজীজ স্যার আর নেই। যিনি গরু বলে একবার ডাক দিলে সব গরুরা এক লাইনে বসে যেতো তিনি আর নেই। যিনি চলতি নিয়মের অন্কে আমার নিত্য নতুন আবিষ্কারকে, সকল সময়ে বিনা দ্বিধায় পুরষ্কৃত করেন বেত্রাঘাত দিয়ে তিনি আর নেই। যিনি আমাকে বলেছিলেন তোর মাথায় গোবর কেন এতো, তিনি আর নেই। গতকালও তিনি আমার এলজেব্রা দক্ষতা দেখে তাড়া করতে বাকি রেখেছিলেন, তিনি মৃ্ত্যুর তাড়া এড়াতে পারেন নি।

আমি সে তাড়া এড়াতে চাই, হলুদ বাতিতে গতি কমাই, সবুজে গতি বাড়াই আর লালে থামি। কিন্তু যখন লাল বাতিতে থামি সব থেমে যাওয়ার ঘটনা ফিরে আসে আমার কাছে। আমি থেমে যাই এ ইদুর দৌড়ের রেস থেকে, জীবনকে জানতে চেষ্টা করি, উপভোগ করতে চাই, কিন্তু তারপর ই আসে সবুজ বাতি, সব কিছুকে ভুলে গিয়ে আবার পা পড়ে গতিতে, ছুটতে হয় যত দ্রুত সম্ভব, ও পারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাসে, জীবন নামক গাড়ির গতি বাড়াই, ওপারের সবুজ আমাকে জীবনের সজীবতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে শুধু গতি বাড়াই আর আমি মরিচীকার মতো একটির পর একটি লাল, সবুজের ষ্টপ লাইট পেরিয়ে যাই আর ভাবি এ বাতিটিই কি শেষ গন্তব্যের আগে?

Google Inc. কর্তৃক ডেভেলপকৃত Google Android (গুগল এ্যানড্রইড) বহনযোগ্য উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পি.ডি., সেল ফোন এবং এমপিথ্রী প্লেয়ারের জন্য এক ধরনের সফটয়্যার বান্ডল। সফটয়্যার বান্ডলটি মূলত চারটি স্তরে বিভক্ত:
# এ্যাপলিকেশন লেয়ার
#
এ্যাপলিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক
#
লাইব্রেরী এবং রানটাইম
#
লিনাক্স কার্নেল

 

 

 

 

 

 

সেলফোন ব্যবহারকারীরা যে এ্যাপলিকেশন তাদের কাজে ব্যবহার করেন তা মূলত এ্যাপলিকেশন লেয়ারে কাজ করে। ডেভেলপাররা এ্যাপলিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে এই এ্যাপলিকেশন গুলো ডেভেলপ করে থাকেন। Android –এ ডেভেলপ করা এ্যাপলিকেশন গুলো সেলফোনের সাথে আসা অন্যান্য ভেন্ডরের বাজারজাত করা এ্যাপলিকেশনের মতই কাজ করে। IntentFilter API (এ্যাপলিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) ব্যবহারের কারনে ব্যবহারকারী বা সিস্টেমের জেনারেট করা যেকোন ইভেন্ট বা ঘটনা প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করতে পারে। এতে ইউনিক্স ফাইল সিস্টেম বেসড সিকিউরিটি মডেল ব্যবহার করার কারনে ব্যবহারকারী যেকোন এ্যাপলিকেশন ইন্সটল করার তার একসেস লিমিট সেট করে দিতে পারবেন। এর ফ্রেমওয়ার্কটি ওপেন এস.এস.এল (Open SSL), এস.কিউ লাইট (SQLite), এল.আই.বি.সি (libc) এর মত আরও অনেক ওপেন সোর্স লাইব্রেরী দ্বারা সমর্থিত। সবশেষে আছে লো লেভেল হার্ডওয়্যার সাপোর্ট প্রদানকারী লিনাক্স ২.৬ কার্নেল। এতে বেশীরভাগ ইউনিক্স ইউটিলিটি অনুপস্থিত, তবে বিশেষভাবে ডেভেলপ করা একটি এ্যাপলিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (API) আছে যা দিয়ে Android এর কোর লাইব্রেরী ব্যবহার করে জাভা দিয়ে এ্যাপলিকেশন ডেভেলপ করা যায়। Android এর কোর লাইব্রেরী টি Dalvik Virtual Machine এর সাহায্যে চলে। Dalvik Virtual Machine খুবই দ্রুত গতি সম্পন্ন ও কার্যদক্ষ একটি জাভা ভার্চুয়াল মেশিন যা জাভা তে লিখিত এ্যাপলিকেশন গুলোকে Android সেলফোনে চলতে সাহায্য করে। এটা অনেকটা সান মাইক্রো সিস্টেমস এর জাভা ভার্চুয়াল মেশিনের মত, কিন্তু সরাসরি ব্যবহার করার মত না।

 

গুগল Android এর জন্য উইন্ডোজ, ম্যাক ওস.এক্স (ইন্টেল) ও লিনাক্স (এক্স86) এই তিন ধরনের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট সরবরাহ করছে। তারা Eclipse based roll your own নামের দুই ধরনের ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্টও সরবরাহ করছে এর সাথে। Eclipse বেসড এনভায়রনমেন্ট টি দরকারী সব ধরনের ফিচার সম্বলিত যা বেশিরভাগ ডেভেলপারের প্রয়োজন মেটানোর জন্য যথেষ্ট। আরও আনন্দের ব্যাপার হল Eclipse এবং roll your own দুটি এনভায়রনমেন্ট পাশাপাশি ব্যবহার করা যায়।

 

Android সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার জন্য আমরা গুগলের দেওয়া নীচের লিংক গুলো পড়ে দেখতে পারি।

# Android কি?
#
Android এ্যাপলিকেশন সবিস্তারে
#
ডেভেলপমেন্ট টুলস
#
Android এ্যাপলিকেশনের লাইফ সাইকেল
#
SDK ইনস্টল বা সংস্থাপন করা
#
নোটপ্যাড এ্যাপলিকেশন টিউটোরিয়াল
#
Android – এ এ্যাপলিকেশন ডেভেলপমেন্ট

উপরের সহায়ক ডকুমেন্ট গুলো পড়ার পর Android – এ দেওয়া হ্যালো এ্যানড্রইড দিয়ে এ্যাপলিকেশন ডেভেলপ করার শুভ কাজটি শুরু করা যেতে পারে।

এখান থেকে Android SDK Eclipse ডাউনলোড করা যাবে।

ছবি কৃতজ্ঞতা গুগল

 

 

সবাই প্রিয়জনকে বাঁচানোর লড়াই করছে, এমন কি মৃত্যু অবধারিত জেনেও জটিল কোনো অপারেশন করে ফেলছে সহায় সম্বল সব বিক্রী করে। মানুষের প্রিয়জনের প্রতি টানটাই এমন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক মহিলার দেখা পেয়েছিলাম। মহিলার বয়েস খুব বেশী হলে ৩৫, বারান্দায় আছড়িপিছড়ি করে কাঁদছে। আমি সামনে দাঁড়ানো। আমাকে বললো বাবা আমার কমলকে আনে দাও।

 

আমি কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে বললাম কমল কে হয় আপনার?

 

কমল মহিলার কিশোর সন্তান, তার সহাজসম্বল বলতে আনোয়ারার ভিটা আর আবাদী জমি, সবই বেঁচে এখানে এসেছিলেন। স্বামীকে বাঁচাতে। স্বামীর বয়েস ৫০এর উপরে, এই বয়েসের মহিলার সাথে হয়তো তার দাম্পত্য জীবনও ১৮ বছরের অধিক। কথায় আছে বিয়ের ৫ বছরের মাথায় স্ত্রী হয়ে যায় পাশ বালিশ, কোনো ভালোবাসা থাকে না শুধু একই বিছানায় পাশাপাশি শুয়ে থাকা আর কোনো কোনো রাতে শরীর বিনিময়ের বাইরে কোনো সম্পর্ক নাকি টিকে থাকে না।

 

এরপরও স্বামীর সম্পর্ক কিংবা পরিচয় কিংবা ভালোবাসার জন্য সমস্ত সম্পদ বিক্রি করে চট্টগ্রাম চলে আসা। এখানে এসে অপারেশনের পরেও তার মৃত্যু। সম্বলহীন মহিলার করুণ আর্তি বাবা আপনেই পারবেন আমার কমলকে ডাকে আনতে। গিয়া বলবেন, কমল তোর বাবা আর নেই রে, ও কলম , বাবা কমল, তুই তো শেষ দেখাটাই দেখতে পারলি না রে, ও বাবা কমল, আপনেরা যেভাবে পারেন আমার কমল কে ডাকে আনে দেন, বাবারা।

 

আমি চুপচাপ হেঁটে বাইরে এসে দাঁড়িয়ে ছিলাম কিছুক্ষণ, অপরিচিত এক কিশোরকে খুঁজে পাই নি বাইরের দোকানে। অনেকক্ষণ পরে মাটিতে এলিয়ে পড়া মহিলাকে দেখলাম, তার সন্তান টেনে নিয়ে যাচ্ছে। দেশে তখন অসহযোগ। কোথাও যাওয়ার নেই। শববাহী সকল গাড়ীই ব্যস্ত। আর মহিলার সঙ্গতি নেই সেই লাশ বয়ে আনোয়ারা যাওয়ার। মৃত্যুর পরেও বিশাল এক দায়ে ফেলে পরলোকে চলে গেছেন বৃদ্ধ মানুষটা।

 

এরপরেই যাকে দেখলাম, আমার বয়সী এক ছেলে, এম্বুলেন্স পাওয়া যায় নি, নিজের গাড়ীতেই এসেছে, মৃত। ডাক্তাররা ইমার্জেন্সী আউটডোর থেকেই বলে পাঠালেন অনেক দেরী হয়ে গেছে, আর কিছু করা যাবে না। পরিবারের সবাই বিশাল বিশাল গাড়ী থেকে নেমে হতবিহ্বল। মা পড়ে আছেন গাড়ীর ব্যক সীটে, ভাই চোখের পানি মুছে ভাইকে আদর করে তুলে নিলেন কোলে। অতিসতর্কভাবে তাকে রাখলেন মাইক্রোবাসের পেছনের সীটে।

 

আরও একটা মৃত্যু। এই প্রতিটা মৃত্যুই অনাকাঙ্খিত। অন্তত পরিজনের কাছে কোনো সময়ই শেষ সময় নয়। সবাই আরও কয়েকটা দিন প্রিয়জনের সঙ্গ চায়। তাই মধ্যবয়স্ক মানুষটাও সবার সামনে শিশুর মতো কেঁদে উঠে বললেন, বাবা, ও বাবা তুমি না থাকলে আমাদের দেখবে কে?

 

নিজের মৃত্যুভয় খুব বেশী। আমি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত না। কবরের আজাবের কথা পড়লে আমার রক্ত ঠান্ডা হয়ে যায়। হাশরের কথা শুনলে আমি মাথা ঠিক রাখতে পারিনা। আমরা আসলে জীবনে এত সব স্বপ্ন দেখি, এতসব পরিকল্পনা করি এগুলো ছাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়। বেশিরভাগ স্বপ্ন পূরণ হয়না। বেশিরভাগ স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই আমরা মারা যাই। তবুও আমরা স্বপ্ন দেখতে থাকি। আমারও কত স্বপ্ন। অথচ ততদিন কি বাঁচব? মাঝে মাঝে মনে হয় শুধুমাত্র বেঁচে থাকাটাও একটা বিরাট সাফল্য। একটা বিরাট স্বার্থকতা।

 

গত ৩/৪ মাস যাবৎ আমার বুকের বাম পাশে চিনচিনে ব্যাথা অনুভব করতেছি। কোথায় যেন পড়েছিলাম বামবুকে চিনচিনে ব্যাথা মানে হৃদরোগের লক্ষণ। আমি খুবই অলস তাই ডাক্তারের কাছে যাইনা। আমার এক শুভাকাংখী বন্ধু অনেকদিন পর্যন্ত আমাকে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য তাগাদা দিচ্ছে। গত ৪/৫ দিন আগে গেলাম। ডাক্তার ৩ ঘন্টা ধরে অনেক কিছুই চেক করল। ইসিজি করল, তারপরে দুইতিনটা এক্সরে, তারপরে ব্লাডটেস্ট। আরো কিসব যন্ত্রপাতি দিয়ে অনেক কিছুই করল। আমি জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে? ডাক্তার বলল এসব পরীক্ষাদির রেজাল্ট দেখে তারপর বলবে। এই মংগলবার আবার যেতে বলেছে। অবশ্য বলেছে এই বয়সে নাকি হৃদরোগ ভেরি আনলাইকলি। মংগলবার আসতেছে দ্রুতগতিতে। আমার প্রচন্ড ভয় লাগতেছে। সিদ্ধান্ত নিয়েছি মংগলবারে রেজাল্ট জানতে ডাক্তারের কাছে যাবনা। Ignorance is bliss!

 

যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে

মন তোরে

 

সোনা দিয়া বান্ধাইয়াছি ঘর

ও মন রে….. ঘুণে করলো জড়ো জড়

আমি কি করে বাস করিবো এই ঘরে রে….

তুই সেই আমার মন

মন তোরে পারলাম না বুঝাইতে

তুই সেই

 

তিন তক্তার এই নৌকা খানি

গাঙ্গে গাঙ্গে চুয়ায় পানি

আমি কি করে সেচিব নৌকার পানি

তুই সেই আমার মন

মন তোরে ……

 

আসি রাইতে ভবের মাজারে

ও মন রে স্বপ্ন দেইখা রইলি ভুলে

আমার এই স্বপন কি মিথ্যা হইতে পারে রে

হায় রে তুই সে আমার মন

মন তোরে

তোমার ঘরে

 

তোমার ঘরে বাস করে কারা ও মন জানো না

তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা

মন জানো না

 

একজনে ছবি আঁকে এক মনে ও মন

আরেকজনে বসে বসে রং মাখে

ঐ আবার সেই ছবিখান নষ্ট করে কোন জনা

তোমার ঘরে …….

 

এক জনে সুর তোলে এক মনে ও মন

আরেক জনে মন্দিরাতে তাল তোলে

আবার বেসুরা সুর ধরে দেখো কোন জনা

 

রস খাইয়া হইয়া মাতাল

ঐ দেখো হাত ফসকে যায় ঘোড়ার লাগাম

সেই লাগাম খানা ধরে দেখো কোন জনা

তোমার ঘরে …….